গুম-খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের এক বিভীষিকার নাম র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল খান মোহাম্মদ (কেএম) আজাদ

২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাবেক সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।৭ জনের মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) খান মোহাম্মদ আজাদ অন্যতম। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ই অগাষ্ট পর্যন্ত হওয়া ১ হাজার ছয়শো গুমের ঘটনার সন্ধান পেয়েছে গুম সংক্রান্ত কমিশইন ইফ ইনকোয়ারি। তারা সারাদেশের ৮টি গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’  পরিদর্শন করেছে।সবচেয়ে বেশি ১৭২টি অভিযোগ আছে র‍্যাবের বিরুদ্ধে।এই সব ঘটনার শিকার হচ্ছে বিরোধী দলের সদস্য, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা।

বিএ-৫০৪৭ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম আজাদ, ৩২ তম লং কোর্স। প্রাক্তন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস), র‍্যাব। এই অফিসার অসংখ্য বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড আয়না ঘর ইত্যাদির মত সকল অপরাধের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি। যার ফলশ্রুতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে।মালিক। একজন কট্টর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোর বিরোধী। তিনি এখনো শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিরোধী।আওয়ামী লীগ অনুগত বিশ্বাসঘাতকদের পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে এখনো তিনি সেনাবাহিনীতে বহাল রয়েছে।

Search