২০১২ সালের এপ্রিলে চুয়াডাঙ্গার একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জন্য জমি দখল নিয়ে বিতর্ক ওঠে।সোলায়মান ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সাংসদ তাঁর অনুসারীদের দিয়ে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লোকবল নিয়োগ নিয়েও তাঁর বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। গত পাঁচ বছরে সাংসদের ঘনিষ্ঠরাই হাট-ঘাট, বিল-বাঁওড় ও উন্নয়নকাজের ইজারা পেয়েছেন। ছেলুনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নির্যাতনেরও অভিযোগ আছে।ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতি, দখলবাজি, উন্নয়নকাজ থেকে কমিশন আদায় এবং নিয়োগ-বাণিজ্যসহ নানা কারণে সোলায়মান হক জোয়ার্দার দলের ভেতরে-বাইরে আলোচিত-সমালোচিত।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার আয়, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল মাত্র ২২ লাখ ৯০ হাজার ৯৬৬ টাকার। ১৫ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে প্রায় ২০ গুণ। বর্তমানে নগদ টাকাসহ চার কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৯৬৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার।১৫ বছরে তার স্ত্রীর সম্পদও বেড়েছে প্রায় ছয়গুণ। ২০০৮ সালে তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬৮ লাখ ১০ হাজার ১০ টাকা। বর্তমানে তার স্ত্রী চার কোটি ৬২ লাখ ৪৯ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সোলায়মান হক জোয়ার্দার ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন। এসব অবৈধ অর্থ উক্ত ব্যাংক সমূহের ৩৫ টি হিসাবে জমা ও লেনদেন করা হয়েছে।আদালতের আদেশে অভিযুক্ত সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের অগ্রণী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক ও জেলা সঞ্চয় অফিস চুয়াডাঙ্গার ত্রিশ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়।