প্রথম আলো নিজে সমাজ বদলের গান গেয়ে বেড়ালেও মূলত সে বদল রেখাপাত করছে তার স্বীয় ভাগ্যন্নোয়নে কেবল।প্রথম আলো পত্রিকাটি সাংবাদিকতার বাইরে রাজনৈতিক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।
দেশে জঙ্গি নাটক মঞ্চায়ন,ইসলাম বিদ্বেষী – মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত , বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির নানা বাঁকে মতিউর রহমান ও তাঁর সম্পাদিত পত্রিকাটির অবস্থান ছিল অস্বচ্ছ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রথম আলোর ভুল, মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত খবরের কারণে আদালতে দৌড়াতেও কম হয়নি মতিউর রহমানকে। দেশে হয়তো এমন কোনো জেলা আদালত পাওয়া যাবে না যেখানে মতিউর রহমান হাজিরা দেননি তার সংবাদপত্রের ভুল প্রতিবেদনের জন্য।
হাজার হাজার কোটি টাকার দুনীতির মাস্টারমাইন্ড এই মতিউর রহমান,প্রথম আলো ট্রাস্টে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন অনেকে।: নেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। প্রথম আলো ট্রাস্ট প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশ থেকে আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করে থাকে বিভিন্ন জন কল্যাণের কথা বলে।কিন্তু তার সঠিক ব্যবহার না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্যাপকভাবে।প্রথম আলোর ট্রাস্টি বোর্ডের ব্যবস্থাপক পদাধিকার বলে পরিচালিত হন সম্পাদক মতিউর রহমান, যিনি নিজেই গঠনতন্ত্রে এই ব্যবস্থা রেখেছেন। এর ফলে, অন্য সদস্যরা তার ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে চায় না। ট্রাস্টের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বর্তমান সদস্য সংখ্যা নয়জন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সদস্যরা হলেন, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম এবং এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ। যদিও ট্রাস্টের কিছু পদ তিন বছরের জন্য নির্ধারিত, ব্যবস্থাপক পদে কোনো পরিবর্তন নেই এবং মতিউর রহমান প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এখন পর্যন্ত এ পদে রয়েছেন, যা ট্রাস্ট ব্যবস্থাপনা আইন বিরোধী।
ঘুষ বাণিজ্যের প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি মতিউর রহমান।
মাহমুদুর রহমান শাসা, মতিউর পুত্র, ব্যবসায়িকভাবে প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি। তার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অ্যানেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড এবং এসএসএলই (সফটওয়্যার সলিউশন অ্যান্ড লজিস্টিক এন্টারপ্রাইজ)। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এসএসএলই মোবাইল কনটেন্ট সরবরাহ, আইটি সলিউশন এবং দৈনিক প্রথম আলো‘র সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কসহ বেশ কিছু বড় ক্লায়েন্টের সেবা প্রদান করে। শাসা তার বাবার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুবিধা লাভ করছেন এবং প্রথম আলো‘র প্রভাব ব্যবহার করে বড় বড় ইভেন্টে কাজ পান। এছাড়াও, এবিসি রেডিও‘র এসএমএস বাণিজ্যও তিনি পরিচালনা করেন। শাসার ব্যবসায়িক কার্যক্রমে মনোমালিন্য হলে, তিনি প্রথম আলো‘র প্রভাব দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করেন। রাজধানীর হোটেলগুলোতে ব্যস্ত সময় কাটানো শাসার অন্যতম পরিচিতি।