বাংলাদেশের অন্যতম বিতর্কিত ও কুখ্যাত সেনা প্রধান মঈনকে নপুংশক ও কাপুরুষ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়

কুখ্যাত প্রাক্তন সেনা প্রধান।জেনারেল মঈন ১১ জানুয়ারি ২০০৭ তারিখে দেশে জরুরি অবস্থার ঘোষণার পেছনে মুল কারিগর ছিলেন, যা ১/১১ ঘটনার নামে পরিচিত। নিজ প্রস্তূতকৃত একটি ভূয়া চিঠিকে “জাতিসংঘ থেকে প্রাপ্ত আলটিমেটাম” বলে প্রচার করে অস্ত্রের মুখে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদকে দেশে জ্রুরী অবস্থা ঘোষনা করতে বাধ্য করেন।তিনি তার পদমর্যাদা লেফটেন্যান্ট জেনারেল থেকে জেনারেল এ উন্নীত করেন যখন দেশে কোন নির্বাচিত সরকার ছিল না। জেনারেল মঈন তার সেনাপ্রধানের মেয়াদ ও এক বছর বৃদ্ধি করেন। “মাইনাস 2” ফর্মুলা বাস্তবায়নে মুখ্য ভুমিকা রাখেন এই মঈন।জরুরি অবস্থা চলাকালে দেশের স্বনামধন্য ব্যাবসায়ীদের অন্তত ৭০০০ কোটি টাকা অবইধভাবে অর্জন করেন। পরবর্তীতে ভারতের সরাসরি নির্দেশে জেনারেল মঈন – ২০০৮ সালের নির্বাচনে তার প্রত্যক্ষ সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট সম্রাজ্যের যাত্রা শুরু করেন।বাংলাদেশের ইতিহাসের একমাত্র নপুংশক ও কাপুরুষ এই সেনাপ্রধান ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে ভারতের প্রত্যক্ষ প্রেসক্রিপশনে ও অংশগ্রহনে সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডে – “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ” এই অজুহাতে সেনাবাহিনী সহ সকল বাহিনীকেই পিলখানায় বন্দী অফিসার ও তাদের পরিবারদের উদ্ধারে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে বিরত রাখেন। যেখানে সেনাবাহিনী সহ সকল বাহিনি ট্যাঙ্ক , কামান সহ বিডিআর গেটে অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুত ছিল। এর ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ পূর্ববর্তি পূর্ব পাকিস্তান এবং ১৯৭১ পরবর্তী স্বাধিন বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মমতম হত্যাকাণ্ড পিলখানায় সংঘটিত হয় যেখানে ৫৭জন সেনা অফিসার সহ ৭৪ জন নিরস্ত্র অবস্থায় নির্মমভাবে নিহত হয়। নপুংশক ও কাপুরুষ এই সেনাপ্রধান তাৎক্ষণিক কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ বা পদত্যাগ না করে একইদিনে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হাসিনা ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহনকারী ঘাতকদের সাথে সমঝোতা বৈঠকে মিলিত হন,যেখানে ঘাতকদের সহ অংশগ্রহনকারী সকল কে পাঁচ তারকা হোটেল থেকে খাবার এনে আপ্যায়ন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরবর্তি সময়ে খুনি শেখ হাসিনার নির্দেশে তিনি প্রতিবাদকারি অসংখ্য অফিসার কে চাকরীচ্যুত করেন। এমনকি খুনি শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশ করতে দেন নাই।



















Search