ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের কারিগর,এস আলমের সহযোগী খুনি হাসিনার ‘চোখের তারা’ দুর্নীতিবাজ গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার

পুরো ব্যাংক খাতের রক্ষক ছিলেন যিনি, সেই আব্দুর রউফ তালুকদার শুধু বড় বড় লুটেরাদের অপকর্মের দোসরই ছিলেন না, নিজেও ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।ব্যাংক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থপাচারে যোগসাজশের ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার চরিত্র হারিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হয়ে ওঠে ব্যাংক লুটেরাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের আখড়া। বিতর্কিত এস আলম, বেক্সিমকো, নাসাসহ বিভিন্ন রাক্ষুসে গ্রুপকে লালন-পালন করার ধারাবাহিকতা আব্দুর রউফ তালুকদারও অক্ষুন্ন রাখেন। তার সময়ে সবচেয়ে বেশি সুবিধা দেওয়া হয় এস আলম গ্রুপকে। 

২০২২ সালের জুলাইয়ে আব্দুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পর ব্যাংক খাতে বড় কয়েকটি ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। কয়েক বছর ধরে চলা ব্যাংক খাতের দুর্নীতি, অনিয়ম, খেলাপি ঋণ, অর্থ পাচার রোধ করতে তিনি শুধু ব্যর্থই হননি; দুর্নীতিবাজদের সুরক্ষাও দিয়ে আসছিলেন। ব্যাংকের অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ যাতে গণমাধ্যমে না আসে, সেজন্য তিনি সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেন। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ৯ আগস্ট গভর্নরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।শুধু বাংলাদেশ ব্যাংককেই অনিয়মে জড়াননি আব্দুর রউফ তালুকদার। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থ বিভাগের সচিব থাকাকালেও ‘কুকীর্তি’র নজির রেখেছেন। সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন পদ্ধতির সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে রেখে এসেছেন। 

Search